বিভিন্ন দেশের লোকজন বিশেষ করে উন্নত দেশের লোকজন তাদের কাজের মূল্য কমানোর জন্য আউটসোর্সিং করে থাকে। যেমন: যুক্তরাষ্ট্রে a4 সাইজের একটি পৃষ্টা দোকান বা কারো থেকে কম্পোজ করতে কমপক্ষে ১ থেকে ৫ডলার চার্জ করবে। যদি এক ডলারও ধরা হয় তাহলে এক পৃষ্টা লেখাতে খরচ হবে প্রায় ৮০ টাকা। আর বাংলাদেশে সে একই কাজ করাতে ব্যয় হবে মাত্র ১০ থেকে ৩০টাকা। এই কাজের মূল্য কমানোর জন্য আউসোর্সিংয়ের প্রচলন। যারা
স্বল্প উন্নত দেশের মানুষ তারা এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করে নিজের মুদ্রায় ভাল আয় করে থাকে। উক্ত কাজ বা প্রজেক্ট সমূহ নির্দিষ্ট কিছু ফ্রিল্যান্স ফ্লাটফর্ম বা মার্কেটপ্লেস এর অধীনে সম্পন্ন হয়ে থাকে। ফ্রি অর্থ মুক্ত এবং ল্যান্স অর্থ পেশা, এক কথায় ফ্রিল্যান্স অর্থ মুক্তপেশা। যিনি কাজ সম্পন্ন করে থাকেন তিনি কন্ট্রাক্টর আর যিনি কাজ দিয়ে থাকেন তিনি বায়ার। যাহোক অনলাইনে বা ইন্টারনেটে ফ্রিল্যান্সিং করে বা কাজ করে আয় করার ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেস বা সাইটের অভাব নেই, ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেস-এ কাজ করতে শুধু দরকার আপনার দক্ষতা, সততা ও ধৈর্য্য। দক্ষতা বলতে যেকোন ধরনের কাজ জানাকে বুঝানো হয়েছে, সততা বলতে কাজ পাওয়ার পর বায়ার-কে যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হবে সে কথা রক্ষা করা বা আপনি বায়ার-কে প্রজেক্ট বা কাজ যেভাবে করবেন বলেছেন ও যে সময়ের মধ্যে শেষ করবেন বলেছেন তা রক্ষা করা। ধৈর্য বলতে অনেক সময় শুরুর দিকে বিড করেও কাজ পাওয়া যায়না, তাতে হাল ছেড়ে দিলে চলবে না কয়েকটি প্রজেক্টে বিড করতে হবে একদিন কাজ পেয়ে যাবেন এবং যদি কাজ পেয়ে যান তাড়াহুড়া করে যেনতেনভাবে কাজ করলে চলবে না ধীরে ধীরে কাজটি মানসম্পন্ন করে ও সুন্দরভাবে করতে হবে, যাতে বায়ার সন্তুষ্ট হয়- সে ব্যাপারে অবশ্যই যত্নবান হবেন এবং কাজ পেলে শুরুতে অভিনন্দন জানিয়ে বায়ারকে
ম্যাসেজ দিবেন, এতে বায়ার খুশি হয়। অতপর: ইন্টারনেটে বা অনলাইনে রয়েছে হাজার হাজার কোটি টাকার কাজ, তবে উক্ত টাকা আনার যন্ত্র বা মন্ত্র আপনার কাছে থাকতে হবে- তা হলো কাজের দক্ষতা বা কাজ জানা। ইন্টারনেটে কাজ জানা লোকের কাজের অভাব নেই ও টাকারও অভাব নেই। ধরুন আপনি অনলাইনে বহু ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেসের হাজার হাজার কাজের মধ্যে শুধু মাত্র গ্রাফিক্স ডিজাইন, ওয়েব ডিজাইন, ডাটা এন্ট্রি, টাইপিং, আর্টিক্যাল রাইটিং এবং এসইও বা চার্জ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এই কয়েকটি কাজ জানেন, তাহলে আপনার জন্যই অপেক্ষা করিতেছে হাজার হাজার ডলার। তবে বিগিনার বা নতুন ফ্রিল্যান্সারা শুধু এসইও শিখে মনোযোগ দিয়ে কাজ করলে ভাল আয় করতে পারবেন। অন্যান্য কাজের তুলনায় সল্প সময়ে এই কাজ শিখতে পারেন, আপনার পাশ্ববর্তী দক্ষ যেকারো থেকে এই কাজ শিখতে পারেন এবং মার্কেট থেকে বই কিনে তা সহায়তার জন্য পড়তে পারেন ও ইহা ছাড়াও এ সংক্রান্ত মাল্টিমিডিয়া ভিডিও সিডি রয়েছে, তাও দেখে ধারনা নিতে পারেন। অনলাইনে এসব কাজ করার সাইটের অভাব নেই। এছাড়াও অনেক গুলো জনপ্রিয় ওয়েবসাইট রয়েছে যা মানুষকে আউটসোর্সিং-এর সুযোগ সৃষ্টি করে দেয়। এই সকল সাইট গুলোকে বলা হয় ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেস। অনেক গুলো সাইটের মধ্যে freelancer.com একটি অন্যতম সাইট। ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেস সাইটে দুই ধরনের ব্যবহারকারী থাকে, এসব ওয়েব সাইটে যারা কাজ বা প্রজেক্ট জমা দেয় তাদেরকে বলা হয় Buyer বা Client এবং যারা এই কাজ গুলো সম্পাদন করে তাদেরকে বলা হয় Freelancer বা Provider. কোন কোন ক্ষেত্রে একটি কাজ সম্পন্ন করার জন্য একাধিক ফ্রিল্যান্সাররা আবেদন করে, যাকে বলা হয় Bid(বিড) করা। বিড করার সময় ফ্রিল্যান্সারেরা কাজটি কত টাকায় সম্পন্ন করতে পারবে তা নিজ নিজ সামর্থ অনুযায়ী উল্লেখ করে থাকে। এদের মধ্য থেকে ক্লায়েন্ট যাকে ইচ্ছা তাকে নির্বাচন করতে পারে। সাধারণত পূর্ব কাজের অভিজ্ঞতা, বিডকৃত টাকার পরিমাণ, কাজ সম্পন্নের সময়সীমা, অগ্রীম অর্থ গ্রহনের পরিমাণ ইত্যাদি এবং বিড করার সময় ফ্রিল্যান্সারের মন্তব্যের উপর ভিত্তি করে ক্লায়েন্ট একজন ফ্রিল্যান্সারকে নির্বাচন করে থাকে এবং যদি কাজ দেয় তাহলে ইমেইলেই কাজটি সম্পর্কে বিস্তারিত পাঠিয়ে দেয়। ফ্রিল্যান্সার নির্বাচন করার পর ক্লায়েন্ট প্রজেক্টের সম্পূর্ন টাকা কোন কোন সাইটে এসক্রো নামক একটি একাউন্টে জমা করে দেয়, যা কাজ শেষ হওয়ার পর ফ্রিল্যান্সারের পাওনা পরিশোধের নিশ্চয়তা প্রদান করে। তবে সব ফ্রিল্যান্সিং সাইটে এই এসক্রো সুবিধা থাকেনা। কাজ সম্পাদন করার পর ফ্রিল্যান্সারকে সম্পূর্ন প্রজেক্টটি ওই সাইটে জমা দিতে হয়। এরপর ক্লায়েন্ট ফ্রিল্যান্সারের কাজটি যাচাই করে দেখে। সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে ক্লায়েন্ট কাজটি গ্রহণ করে। সম্পূর্ণ সার্ভিসের জন্য বা সার্ভিস ফি হিসেবে এ সময় ফ্রিল্যান্সারকে কাজের একটা নির্দিষ্ট অংশ ফ্রিল্যান্সার ডট কম সাইটকে ফি বা কমিশন হিসেবে বা আয়কৃত অর্থের ১০% দিতে হয় বা টাকা গ্রহণের সময় ফ্রিল্যান্সার ডট কম সাইট স্বয়ংক্রিয়ভাবে তা কেটে রাখে। এরপর ফ্রিল্যান্সার ডট কম এর withdraw অপশন থেকে উইথড্র দিলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কর্তৃপক্ষ ফ্রিল্যান্সারের আয়কৃত অর্থ বিভিন্ন পদ্ধিতিতে তার কাছে প্রেরণ করে।
বলা বাহুল্য: freelancer.com সাইটে নিম্নে উল্লেখিত পেমেন্ট মেথড সাপোর্ট করে থাকে।
Withdrawal method:
Skrill(moneybookers)
Paypal
wire Transfer
Freelancer Debit Card
পেপাল হলো অনলাইনে অর্থ লেনদেনর দ্রুত ও সহজ মাধ্যম, কিন্তু বাংলাদেশে যেহেতু এখনও পর্যন্ত পেপাল সাপোর্ট করেনা, সেহেতু বাংলাদেশীদের জন্য ম্যানিবুকার্স হলো সব চেয়ে ভাল ও নিরাপদ মাধ্যম। অনলাইন ভিত্তিক যেকোন ব্যাংকে আপনার পেমেন্ট আনতে পারেন। আমি নিজেও আমার ইসলামী ব্যাংক একাউন্টে মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই পেমেন্ট নিয়ে এসেছি, আপনার যদি ম্যানিবুকার্স একাউন্ট না থাকে তাহলে এখান থেকে ক্লিক করে https://www.moneybookers.com একাউন্ট খুলে নিতে পারেন। লিংকে যাওয়ার পর sign up বাটনে ক্লিক করে যথাযথ ভাবে ফরমটি পূরণ করবেন। কারণ তারা আপনার বাড়ীর ঠিকানায় এড্রেস ভেরিফিকেশন কোড পাঠাবে, যা আপনার একাউন্ট ভেরিফিকেশনে ব্যবহৃত হইবে। তারা ক্লায়েন্টের প্রতি খুবই যত্নবান ও যেকোন পেমেন্ট সংক্রান্ত বিষয়ে তাদের সাপোর্ট সেন্টারে ম্যাসেজ দেওয়ার সাথে সাথে তারা যথাযথ উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করে। এছাড়াও দ্রুত ব্যাংক একাউন্টে তারা পেমেন্ট পাঠায়।
এখন রিল্যান্সার ডট সাইটে কিভাবে রেজিষ্ট্রেশন করতে হয় ও তা থেকে বিড করে আয় করা যায় তা ধাপে ধাপে স্ক্রিনসট বা ছবি সহ উপস্থাপন করা হলো:
প্রথমে আপনি এই লিংকে যান- http://www.freelancer.com তারপর নিচের মত ফ্রিল্যান্সার ডট কম সাইটের হোম পেইজ দেখতে পাবন-
পেইজের ডানে উপরে sign up বাটনে ক্লিক করুন -
এরপর প্রদর্শিত পেইজটি যথাযথভাবে পূরণ করুন, পেইজের নিচে Hire and work বাটনে ক্লিক করুন, সবশেষে create account বাটনে ক্লিক করুন। -
বাঁকা লেখাটি বা ক্যাপসাটি নিচে খালি ঘরে লিখুন এরপর continue বাটনে ক্লিক করুন, -
এরপর আপনার একাউন্ট হয়ে গেল। এরপর আপনার প্রোপ্রাইল সমৃদ্ধ করুন। প্রথমে প্রোপ্রাইল অপশনের Edit skills এ ক্লিক করুন। এরপর ডান পার্শ্বে লাল চিহ্নিত ইউর প্রোপ্রাই অপশনের নিচের + (প্লাস) লিংকে ক্লিক করুন। এরপর ফরমটি যথাযথভাবে পূরণ করুন, ডানে লাল গোলচিহ্নিত বাটনে ক্লিক করে ছবি আপলোড করুন, নিজের ছবি না থাকলে আপাতত কম্পিউটার থেকে যেকোন একটি ছবি বা দৃশ্য নির্বাচন করতে পারবেন, এরপর নিচে সেইভ বাটনে ক্লিক করুন। এরপর আবার উপরের নিয়মে ইউর প্রোপ্রাই অপশনের নিচের + (প্লাস) লিংকে ক্লিক করুন .এরপর পর যে কাজ লাল চিহ্নিত ঘরের মধ্যে কাজের ক্যাটাগরি রয়েছে, এতে আপনি যে কাজ গুলি করতে পারবেন, সে ক্যাটাগরির ডান পাশে লালগোলাকার +(প্লাস) এ ক্লিক করুন, আমি একটি ক্যাটাগরি দেখলাম, বাকি গুলি আপনারা একই পেইজে থাকা অবস্থায় একটা একটা করে প্লাস চিহ্নতে ক্লিক করুন। এরপর লাল চিহ্নিত বক্সের মধ্যে আপনি যে কাজগুলি করতে সক্ষম বা করতে পারবেন সে গুলির ডান পাশের চেক বক্সে টিক চিহ্ন দিন,এরপর নিচে সেইভ বাটনে ক্লিক করুন। আপনি যে যে ক্যাটাগরিতে কাজ করতে পারবেন বলে টিক চিহ্ন দিয়েছিলেন তা skills-এ দেখতে পাবেন। এতে নিচে সেইভ এ ক্লিক করুন। এরপর আবার আগের জায়গায় চলে-এতে ইউর প্রোপ্রাই অপশনের নিচের + (প্লাস) লিংকে ক্লিক করুন| এতে ফরমটি খুবই যত্নের সহিত যথাযথভাবে পূরণ করুন। কোন ভূল তথ্য দিবেন না। এরপর নিচে সেইভ বাটনে ক্লিক করুন। এভাবে আপনার প্রোপ্রাইল যতক্ষণ ১০০% কমপ্লিট না হবে ততক্ষণ ইউর প্রোপ্রাই অপশনের নিচের + (প্লাস) লিংকে ক্লিক করে করে প্রদর্শিত পেইজ যথাযথভাবে পূরণ করবেন। যা হোক আপনার বুঝতে যদি অসুবিধার কারণে প্রোপ্রাইল ১০০% কমপ্লিট করতে নাও পারেন সমস্যা নেই। আপনি কাজে বিড করতে পারবেন।
তবে বিড করার আগে আপনাকে অবশ্যই অন্যান্য ফ্রিল্যান্সারের বিড পরিদর্শন করতে হবে অর্থাৎ যারা আপনার আগে প্রজেক্টটিতে বিড করেছেন বায়ার প্রজেক্টটি তাদের কাউকে দিয়ে দিয়েছে কিনা তা অবশ্যই দেখতে হবে। যদি প্রজেক্টটি কাউকে দিয়ে দেয় তাহলে আপনি বিড করলেও কাজ দিবেনা। উপরোক্ত বিডিং পেইজের নিচের দিকে স্ক্রল করে নামুন এবং দেখবেন বিশ্বের বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সার বিড করেছে, যদি কারো বিড এরিয়ায় বা বিড অংশে লাল বা হলুদ চিহ্নিত মার্কিং দেখা যায় তখন বুঝতে হবে বায়ার ঐ ব্যক্তিকে কাজটি দিয়ে দিয়েছে। তখন আপনি ঐ প্রজেক্টে বিড করবেন না। এখানে বিষয় লক্ষ্য রাখতে হবে প্রজেক্টের বিড তারিখের সর্বশেষ কোন তারিখ পর্যন্ত আছে বা নিচের ছবিতে বায়ার কর্তৃক প্রদত্ত একটি প্রজেক্ট দেখানো হলো। ভালভাবে লক্ষ্য করুন বায়ার সে প্রজেক্টটি একজন Indian ফ্রিল্যান্সারকে দিয়ে দিয়েছেন যা বিডারের অংশে ব্যাকগ্রাউন্ডে হালকা লালচে দেখা যাচ্ছে। বড় করে দেখতে ছবিতে ক্লিক করুন।
এরপর যদি কাউকে প্রজেক্ট না দেয় তাহলে নিচের নিয়মে বিড করুন। নিচের ছবিতে কিভাবে বিড করতে হয় ও ম্যাসেজ লিখতে হয় দেখুন-
এতে বিড রেইট দিয়েছি ২৫০ ডলার, ডেলিভারীর সময় দিয়েছি ১০দিন, মাইলস্টোন বা অগ্রীম গ্রহণ দিয়েছি ২০%, এক্ষেত্রে আপনি কাজটি করতে বিড রেইটের কত পার্সেন অগ্রীম নিতে চান তা হলো মাইলস্টোন, তবে ২০% এর নিচে দেওয়া যাবেনা। এখন নিচে প্রজেক্টে ম্যাসেজ লিখতে হবে, খালি বক্সে লিখুন বায়ার বরাবর, যেমন- আমরা কোন কিছু পাওয়ার জন্য ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান, পৌরসভার মেয়র, উপজেলা চেয়ারম্যান বা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর দরখাস্ত লিখি সে রকম একটি ব্যবহার, একটু সুন্দর করে মাধুর্য্য দিয়ে অল্প কথায় লিখতে হবে, যাতে বায়ার আকৃষ্ট হয়। যেমন- আমি এখানে লিখেছি Dear sir, I am very interesting to the project. I am skills of ms word and ms excel and experience of more 5years. So if you give me the project then I shell successfully complete it. But I don't agree to captcha work. Regards আপনার নাম ও দেশের নাম দিতে হবে। এখানে আমি ক্যাপসার কাজ করতে আগ্রহী নই বিধায় তা উল্লেখ করে দিয়েছি। আপনি ইচ্ছে করলে ক্যাপসার কাজও করতে পারেন। আপনি আপনার মত করে গঠনমূলক অল্প কথায় লিখবেন। অযাচিত কোন কিছু লিখা যাবেনা, এতে বায়ার বিরক্তবোধ করবে। এরপর নিচে একটি চেক বক্স আছে তাতে ক্লিক করলে আরেকটি খালি বক্স আসবে তাতে আপনি ইচ্ছে করলে প্রাইভেট ম্যাসেজ লিখতে পারেন, উপরোক্ত ম্যাসেজ সকলে দেখতে পাবে কিন্তু প্রাইভেট ম্যাসেজ বায়ার ছাড়া অন্য কেউ দেখতে বা পড়তে পারবে না। তাই আপনি ইচ্ছে করলে প্রাইভেট ম্যাসেজে বিড রেইট কমিয়ে দিতে পারেন ও কাজ ডেলিভারীর সময়ও কমিয়ে দিতে পারেন। তবে সেক্ষেত্রে উম্মুক্ত ম্যাসেজের লেখার শেষে ম্যাসেজ চেক করার জন্য বলে দিতে হবে, যেমন: please check to you my PM. তাহলে বায়ার প্রাইভেট ম্যাসেজ চেক করে দেখবে। কারণ যদি বেশি বিডার থাকে তাহলে বায়ার প্রাইভেট ম্যাসেজ চেক নাও করতে পারে, সেজন্য চেক করার জন্য বলে দেওয়া। সর্বশেষে বামে নিচে Place Bid এ ক্লিক করুন। এখন আপনার কাঙ্খিত প্রজেক্টটি বিড হয়ে গেল। এখন আপনার কাজ শেষ, একটু পরেই একই পেইজের নিচে অন্যান্য বিডারদের সাথে আপনার নামও দেখা যাবে। এরপর আপনি প্রতি নিয়ত ইমেইলের ইনবক্স চেক করবেন, বায়ার আপনাকে কাজটি দিচ্ছে কিনা, সাধারণত ২৪ঘন্টার মধ্যেই কাজ দিয়ে দেয়, কোন কোন ক্ষেত্রে বেশিও সময় নেয়, তবুও আপনি দু-তিন দিন অপেক্ষা করুন। এভাবে প্রত্যেকটি প্রজেক্টে বিড করুন। সিকিউরিটিজ জন্য ফ্রিল্যান্সার ডট কম কর্তৃপক্ষ সাইটের ফিচারের পরিবর্তন আনতে পারে, সেক্ষেত্রে ছবির সাথে না মিল্লেও ধীরে ধীরে চেষ্টা করুন, অবশ্যই পারবেন, বাংলাদেশের হাজার হাজার ফ্রিল্যান্সারা মাসে কয়েক হাজার ডলার আয় করছে আপনি পারবেনা কেন, অবশ্যই পারবেন, কাজ শিখুন, লেগে থাকুন ও চেষ্টা করতে থাকুন। দেখবেন একদিন সফলতা আসবেই।
Some Freelance Marketplace:
http://www.odesk.com
http://www.freelancer.com
http://www.elance.com
www.scriptlance.com
www.99design.com
www.vworkers.com
www.getacoder.com
http://www.99freelancer.com
http://www.joomlancer.com
স্বল্প উন্নত দেশের মানুষ তারা এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করে নিজের মুদ্রায় ভাল আয় করে থাকে। উক্ত কাজ বা প্রজেক্ট সমূহ নির্দিষ্ট কিছু ফ্রিল্যান্স ফ্লাটফর্ম বা মার্কেটপ্লেস এর অধীনে সম্পন্ন হয়ে থাকে। ফ্রি অর্থ মুক্ত এবং ল্যান্স অর্থ পেশা, এক কথায় ফ্রিল্যান্স অর্থ মুক্তপেশা। যিনি কাজ সম্পন্ন করে থাকেন তিনি কন্ট্রাক্টর আর যিনি কাজ দিয়ে থাকেন তিনি বায়ার। যাহোক অনলাইনে বা ইন্টারনেটে ফ্রিল্যান্সিং করে বা কাজ করে আয় করার ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেস বা সাইটের অভাব নেই, ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেস-এ কাজ করতে শুধু দরকার আপনার দক্ষতা, সততা ও ধৈর্য্য। দক্ষতা বলতে যেকোন ধরনের কাজ জানাকে বুঝানো হয়েছে, সততা বলতে কাজ পাওয়ার পর বায়ার-কে যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হবে সে কথা রক্ষা করা বা আপনি বায়ার-কে প্রজেক্ট বা কাজ যেভাবে করবেন বলেছেন ও যে সময়ের মধ্যে শেষ করবেন বলেছেন তা রক্ষা করা। ধৈর্য বলতে অনেক সময় শুরুর দিকে বিড করেও কাজ পাওয়া যায়না, তাতে হাল ছেড়ে দিলে চলবে না কয়েকটি প্রজেক্টে বিড করতে হবে একদিন কাজ পেয়ে যাবেন এবং যদি কাজ পেয়ে যান তাড়াহুড়া করে যেনতেনভাবে কাজ করলে চলবে না ধীরে ধীরে কাজটি মানসম্পন্ন করে ও সুন্দরভাবে করতে হবে, যাতে বায়ার সন্তুষ্ট হয়- সে ব্যাপারে অবশ্যই যত্নবান হবেন এবং কাজ পেলে শুরুতে অভিনন্দন জানিয়ে বায়ারকে
ম্যাসেজ দিবেন, এতে বায়ার খুশি হয়। অতপর: ইন্টারনেটে বা অনলাইনে রয়েছে হাজার হাজার কোটি টাকার কাজ, তবে উক্ত টাকা আনার যন্ত্র বা মন্ত্র আপনার কাছে থাকতে হবে- তা হলো কাজের দক্ষতা বা কাজ জানা। ইন্টারনেটে কাজ জানা লোকের কাজের অভাব নেই ও টাকারও অভাব নেই। ধরুন আপনি অনলাইনে বহু ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেসের হাজার হাজার কাজের মধ্যে শুধু মাত্র গ্রাফিক্স ডিজাইন, ওয়েব ডিজাইন, ডাটা এন্ট্রি, টাইপিং, আর্টিক্যাল রাইটিং এবং এসইও বা চার্জ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এই কয়েকটি কাজ জানেন, তাহলে আপনার জন্যই অপেক্ষা করিতেছে হাজার হাজার ডলার। তবে বিগিনার বা নতুন ফ্রিল্যান্সারা শুধু এসইও শিখে মনোযোগ দিয়ে কাজ করলে ভাল আয় করতে পারবেন। অন্যান্য কাজের তুলনায় সল্প সময়ে এই কাজ শিখতে পারেন, আপনার পাশ্ববর্তী দক্ষ যেকারো থেকে এই কাজ শিখতে পারেন এবং মার্কেট থেকে বই কিনে তা সহায়তার জন্য পড়তে পারেন ও ইহা ছাড়াও এ সংক্রান্ত মাল্টিমিডিয়া ভিডিও সিডি রয়েছে, তাও দেখে ধারনা নিতে পারেন। অনলাইনে এসব কাজ করার সাইটের অভাব নেই। এছাড়াও অনেক গুলো জনপ্রিয় ওয়েবসাইট রয়েছে যা মানুষকে আউটসোর্সিং-এর সুযোগ সৃষ্টি করে দেয়। এই সকল সাইট গুলোকে বলা হয় ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেস। অনেক গুলো সাইটের মধ্যে freelancer.com একটি অন্যতম সাইট। ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেস সাইটে দুই ধরনের ব্যবহারকারী থাকে, এসব ওয়েব সাইটে যারা কাজ বা প্রজেক্ট জমা দেয় তাদেরকে বলা হয় Buyer বা Client এবং যারা এই কাজ গুলো সম্পাদন করে তাদেরকে বলা হয় Freelancer বা Provider. কোন কোন ক্ষেত্রে একটি কাজ সম্পন্ন করার জন্য একাধিক ফ্রিল্যান্সাররা আবেদন করে, যাকে বলা হয় Bid(বিড) করা। বিড করার সময় ফ্রিল্যান্সারেরা কাজটি কত টাকায় সম্পন্ন করতে পারবে তা নিজ নিজ সামর্থ অনুযায়ী উল্লেখ করে থাকে। এদের মধ্য থেকে ক্লায়েন্ট যাকে ইচ্ছা তাকে নির্বাচন করতে পারে। সাধারণত পূর্ব কাজের অভিজ্ঞতা, বিডকৃত টাকার পরিমাণ, কাজ সম্পন্নের সময়সীমা, অগ্রীম অর্থ গ্রহনের পরিমাণ ইত্যাদি এবং বিড করার সময় ফ্রিল্যান্সারের মন্তব্যের উপর ভিত্তি করে ক্লায়েন্ট একজন ফ্রিল্যান্সারকে নির্বাচন করে থাকে এবং যদি কাজ দেয় তাহলে ইমেইলেই কাজটি সম্পর্কে বিস্তারিত পাঠিয়ে দেয়। ফ্রিল্যান্সার নির্বাচন করার পর ক্লায়েন্ট প্রজেক্টের সম্পূর্ন টাকা কোন কোন সাইটে এসক্রো নামক একটি একাউন্টে জমা করে দেয়, যা কাজ শেষ হওয়ার পর ফ্রিল্যান্সারের পাওনা পরিশোধের নিশ্চয়তা প্রদান করে। তবে সব ফ্রিল্যান্সিং সাইটে এই এসক্রো সুবিধা থাকেনা। কাজ সম্পাদন করার পর ফ্রিল্যান্সারকে সম্পূর্ন প্রজেক্টটি ওই সাইটে জমা দিতে হয়। এরপর ক্লায়েন্ট ফ্রিল্যান্সারের কাজটি যাচাই করে দেখে। সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে ক্লায়েন্ট কাজটি গ্রহণ করে। সম্পূর্ণ সার্ভিসের জন্য বা সার্ভিস ফি হিসেবে এ সময় ফ্রিল্যান্সারকে কাজের একটা নির্দিষ্ট অংশ ফ্রিল্যান্সার ডট কম সাইটকে ফি বা কমিশন হিসেবে বা আয়কৃত অর্থের ১০% দিতে হয় বা টাকা গ্রহণের সময় ফ্রিল্যান্সার ডট কম সাইট স্বয়ংক্রিয়ভাবে তা কেটে রাখে। এরপর ফ্রিল্যান্সার ডট কম এর withdraw অপশন থেকে উইথড্র দিলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কর্তৃপক্ষ ফ্রিল্যান্সারের আয়কৃত অর্থ বিভিন্ন পদ্ধিতিতে তার কাছে প্রেরণ করে।
বলা বাহুল্য: freelancer.com সাইটে নিম্নে উল্লেখিত পেমেন্ট মেথড সাপোর্ট করে থাকে।
Withdrawal method:
Skrill(moneybookers)
Paypal
wire Transfer
Freelancer Debit Card
পেপাল হলো অনলাইনে অর্থ লেনদেনর দ্রুত ও সহজ মাধ্যম, কিন্তু বাংলাদেশে যেহেতু এখনও পর্যন্ত পেপাল সাপোর্ট করেনা, সেহেতু বাংলাদেশীদের জন্য ম্যানিবুকার্স হলো সব চেয়ে ভাল ও নিরাপদ মাধ্যম। অনলাইন ভিত্তিক যেকোন ব্যাংকে আপনার পেমেন্ট আনতে পারেন। আমি নিজেও আমার ইসলামী ব্যাংক একাউন্টে মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই পেমেন্ট নিয়ে এসেছি, আপনার যদি ম্যানিবুকার্স একাউন্ট না থাকে তাহলে এখান থেকে ক্লিক করে https://www.moneybookers.com একাউন্ট খুলে নিতে পারেন। লিংকে যাওয়ার পর sign up বাটনে ক্লিক করে যথাযথ ভাবে ফরমটি পূরণ করবেন। কারণ তারা আপনার বাড়ীর ঠিকানায় এড্রেস ভেরিফিকেশন কোড পাঠাবে, যা আপনার একাউন্ট ভেরিফিকেশনে ব্যবহৃত হইবে। তারা ক্লায়েন্টের প্রতি খুবই যত্নবান ও যেকোন পেমেন্ট সংক্রান্ত বিষয়ে তাদের সাপোর্ট সেন্টারে ম্যাসেজ দেওয়ার সাথে সাথে তারা যথাযথ উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করে। এছাড়াও দ্রুত ব্যাংক একাউন্টে তারা পেমেন্ট পাঠায়।
এখন রিল্যান্সার ডট সাইটে কিভাবে রেজিষ্ট্রেশন করতে হয় ও তা থেকে বিড করে আয় করা যায় তা ধাপে ধাপে স্ক্রিনসট বা ছবি সহ উপস্থাপন করা হলো:
প্রথমে আপনি এই লিংকে যান- http://www.freelancer.com তারপর নিচের মত ফ্রিল্যান্সার ডট কম সাইটের হোম পেইজ দেখতে পাবন-
পেইজের ডানে উপরে sign up বাটনে ক্লিক করুন -
এরপর প্রদর্শিত পেইজটি যথাযথভাবে পূরণ করুন, পেইজের নিচে Hire and work বাটনে ক্লিক করুন, সবশেষে create account বাটনে ক্লিক করুন। -
বাঁকা লেখাটি বা ক্যাপসাটি নিচে খালি ঘরে লিখুন এরপর continue বাটনে ক্লিক করুন, -
এরপর আপনার একাউন্ট হয়ে গেল। এরপর আপনার প্রোপ্রাইল সমৃদ্ধ করুন। প্রথমে প্রোপ্রাইল অপশনের Edit skills এ ক্লিক করুন। এরপর ডান পার্শ্বে লাল চিহ্নিত ইউর প্রোপ্রাই অপশনের নিচের + (প্লাস) লিংকে ক্লিক করুন। এরপর ফরমটি যথাযথভাবে পূরণ করুন, ডানে লাল গোলচিহ্নিত বাটনে ক্লিক করে ছবি আপলোড করুন, নিজের ছবি না থাকলে আপাতত কম্পিউটার থেকে যেকোন একটি ছবি বা দৃশ্য নির্বাচন করতে পারবেন, এরপর নিচে সেইভ বাটনে ক্লিক করুন। এরপর আবার উপরের নিয়মে ইউর প্রোপ্রাই অপশনের নিচের + (প্লাস) লিংকে ক্লিক করুন .এরপর পর যে কাজ লাল চিহ্নিত ঘরের মধ্যে কাজের ক্যাটাগরি রয়েছে, এতে আপনি যে কাজ গুলি করতে পারবেন, সে ক্যাটাগরির ডান পাশে লালগোলাকার +(প্লাস) এ ক্লিক করুন, আমি একটি ক্যাটাগরি দেখলাম, বাকি গুলি আপনারা একই পেইজে থাকা অবস্থায় একটা একটা করে প্লাস চিহ্নতে ক্লিক করুন। এরপর লাল চিহ্নিত বক্সের মধ্যে আপনি যে কাজগুলি করতে সক্ষম বা করতে পারবেন সে গুলির ডান পাশের চেক বক্সে টিক চিহ্ন দিন,এরপর নিচে সেইভ বাটনে ক্লিক করুন। আপনি যে যে ক্যাটাগরিতে কাজ করতে পারবেন বলে টিক চিহ্ন দিয়েছিলেন তা skills-এ দেখতে পাবেন। এতে নিচে সেইভ এ ক্লিক করুন। এরপর আবার আগের জায়গায় চলে-এতে ইউর প্রোপ্রাই অপশনের নিচের + (প্লাস) লিংকে ক্লিক করুন| এতে ফরমটি খুবই যত্নের সহিত যথাযথভাবে পূরণ করুন। কোন ভূল তথ্য দিবেন না। এরপর নিচে সেইভ বাটনে ক্লিক করুন। এভাবে আপনার প্রোপ্রাইল যতক্ষণ ১০০% কমপ্লিট না হবে ততক্ষণ ইউর প্রোপ্রাই অপশনের নিচের + (প্লাস) লিংকে ক্লিক করে করে প্রদর্শিত পেইজ যথাযথভাবে পূরণ করবেন। যা হোক আপনার বুঝতে যদি অসুবিধার কারণে প্রোপ্রাইল ১০০% কমপ্লিট করতে নাও পারেন সমস্যা নেই। আপনি কাজে বিড করতে পারবেন।
তবে বিড করার আগে আপনাকে অবশ্যই অন্যান্য ফ্রিল্যান্সারের বিড পরিদর্শন করতে হবে অর্থাৎ যারা আপনার আগে প্রজেক্টটিতে বিড করেছেন বায়ার প্রজেক্টটি তাদের কাউকে দিয়ে দিয়েছে কিনা তা অবশ্যই দেখতে হবে। যদি প্রজেক্টটি কাউকে দিয়ে দেয় তাহলে আপনি বিড করলেও কাজ দিবেনা। উপরোক্ত বিডিং পেইজের নিচের দিকে স্ক্রল করে নামুন এবং দেখবেন বিশ্বের বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সার বিড করেছে, যদি কারো বিড এরিয়ায় বা বিড অংশে লাল বা হলুদ চিহ্নিত মার্কিং দেখা যায় তখন বুঝতে হবে বায়ার ঐ ব্যক্তিকে কাজটি দিয়ে দিয়েছে। তখন আপনি ঐ প্রজেক্টে বিড করবেন না। এখানে বিষয় লক্ষ্য রাখতে হবে প্রজেক্টের বিড তারিখের সর্বশেষ কোন তারিখ পর্যন্ত আছে বা নিচের ছবিতে বায়ার কর্তৃক প্রদত্ত একটি প্রজেক্ট দেখানো হলো। ভালভাবে লক্ষ্য করুন বায়ার সে প্রজেক্টটি একজন Indian ফ্রিল্যান্সারকে দিয়ে দিয়েছেন যা বিডারের অংশে ব্যাকগ্রাউন্ডে হালকা লালচে দেখা যাচ্ছে। বড় করে দেখতে ছবিতে ক্লিক করুন।
এরপর যদি কাউকে প্রজেক্ট না দেয় তাহলে নিচের নিয়মে বিড করুন। নিচের ছবিতে কিভাবে বিড করতে হয় ও ম্যাসেজ লিখতে হয় দেখুন-
এতে বিড রেইট দিয়েছি ২৫০ ডলার, ডেলিভারীর সময় দিয়েছি ১০দিন, মাইলস্টোন বা অগ্রীম গ্রহণ দিয়েছি ২০%, এক্ষেত্রে আপনি কাজটি করতে বিড রেইটের কত পার্সেন অগ্রীম নিতে চান তা হলো মাইলস্টোন, তবে ২০% এর নিচে দেওয়া যাবেনা। এখন নিচে প্রজেক্টে ম্যাসেজ লিখতে হবে, খালি বক্সে লিখুন বায়ার বরাবর, যেমন- আমরা কোন কিছু পাওয়ার জন্য ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান, পৌরসভার মেয়র, উপজেলা চেয়ারম্যান বা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর দরখাস্ত লিখি সে রকম একটি ব্যবহার, একটু সুন্দর করে মাধুর্য্য দিয়ে অল্প কথায় লিখতে হবে, যাতে বায়ার আকৃষ্ট হয়। যেমন- আমি এখানে লিখেছি Dear sir, I am very interesting to the project. I am skills of ms word and ms excel and experience of more 5years. So if you give me the project then I shell successfully complete it. But I don't agree to captcha work. Regards আপনার নাম ও দেশের নাম দিতে হবে। এখানে আমি ক্যাপসার কাজ করতে আগ্রহী নই বিধায় তা উল্লেখ করে দিয়েছি। আপনি ইচ্ছে করলে ক্যাপসার কাজও করতে পারেন। আপনি আপনার মত করে গঠনমূলক অল্প কথায় লিখবেন। অযাচিত কোন কিছু লিখা যাবেনা, এতে বায়ার বিরক্তবোধ করবে। এরপর নিচে একটি চেক বক্স আছে তাতে ক্লিক করলে আরেকটি খালি বক্স আসবে তাতে আপনি ইচ্ছে করলে প্রাইভেট ম্যাসেজ লিখতে পারেন, উপরোক্ত ম্যাসেজ সকলে দেখতে পাবে কিন্তু প্রাইভেট ম্যাসেজ বায়ার ছাড়া অন্য কেউ দেখতে বা পড়তে পারবে না। তাই আপনি ইচ্ছে করলে প্রাইভেট ম্যাসেজে বিড রেইট কমিয়ে দিতে পারেন ও কাজ ডেলিভারীর সময়ও কমিয়ে দিতে পারেন। তবে সেক্ষেত্রে উম্মুক্ত ম্যাসেজের লেখার শেষে ম্যাসেজ চেক করার জন্য বলে দিতে হবে, যেমন: please check to you my PM. তাহলে বায়ার প্রাইভেট ম্যাসেজ চেক করে দেখবে। কারণ যদি বেশি বিডার থাকে তাহলে বায়ার প্রাইভেট ম্যাসেজ চেক নাও করতে পারে, সেজন্য চেক করার জন্য বলে দেওয়া। সর্বশেষে বামে নিচে Place Bid এ ক্লিক করুন। এখন আপনার কাঙ্খিত প্রজেক্টটি বিড হয়ে গেল। এখন আপনার কাজ শেষ, একটু পরেই একই পেইজের নিচে অন্যান্য বিডারদের সাথে আপনার নামও দেখা যাবে। এরপর আপনি প্রতি নিয়ত ইমেইলের ইনবক্স চেক করবেন, বায়ার আপনাকে কাজটি দিচ্ছে কিনা, সাধারণত ২৪ঘন্টার মধ্যেই কাজ দিয়ে দেয়, কোন কোন ক্ষেত্রে বেশিও সময় নেয়, তবুও আপনি দু-তিন দিন অপেক্ষা করুন। এভাবে প্রত্যেকটি প্রজেক্টে বিড করুন। সিকিউরিটিজ জন্য ফ্রিল্যান্সার ডট কম কর্তৃপক্ষ সাইটের ফিচারের পরিবর্তন আনতে পারে, সেক্ষেত্রে ছবির সাথে না মিল্লেও ধীরে ধীরে চেষ্টা করুন, অবশ্যই পারবেন, বাংলাদেশের হাজার হাজার ফ্রিল্যান্সারা মাসে কয়েক হাজার ডলার আয় করছে আপনি পারবেনা কেন, অবশ্যই পারবেন, কাজ শিখুন, লেগে থাকুন ও চেষ্টা করতে থাকুন। দেখবেন একদিন সফলতা আসবেই।
Some Freelance Marketplace:
http://www.odesk.com
http://www.freelancer.com
http://www.elance.com
www.scriptlance.com
www.99design.com
www.vworkers.com
www.getacoder.com
http://www.99freelancer.com
http://www.joomlancer.com

1 comments:
Read carefuly step by step.
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
Thanks for Comment.
contact: +8801826100102